ফিলিস্তিনের হামাস -লেবাননের হেজবুল্লাহ বছরের পর বছর ধরে যুদ্ধ করলেও তেলআবিবে -নেতা নিয়া-হুর প্রাসাদে একটা রকেট ফেলার সামর্থ্য হতনা।
অথচ ২৩০০ কি:মিঃ দুর থেকে-সকল প্রতিরক্ষা ভেদ করে ইরান মিসাইল ছুড়ে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে যে -নেতা নিয়াহু এ হামলায় আক্রান্ত।
এটা দ্বারা এ কথা প্রমাণিত হয় যে -শুধু বুলি আওড়ালে হয়না -সামর্থ্য থাকতে হয়। শুধু সৈন্য দিয়ে দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়না -তথ্য প্রযুক্তি এবং জ্ঞান বিজ্ঞানের পিছনে অর্থ ব্যয় করতে হয় অত্যাধুনিক অস্ত্র তৈরির সামর্থ্য লাগে কিংবা কেনার মুরোদ লাগে।
শুধু নেতা. চাঁদাবাজ আর সহ-সভাপতি দিয়ে দেশের উন্নতি হয়না -মেধাবি লোকের দরকার যাদের দ্বারা দেশ সমৃদ্ধ হবে।
শুধু অযোগ্যদের পদে বসিয়ে বাহবা নিলে কখনও দেশের পরিবর্তন আসবেনা যোগ্য এবং মেধাবী লোককে পদ দিয়ে কাজের সুযোগ করে দিতে হবে।
শুধু কাওমি নির্ভর লেখাপড়া আর তৈলবাজ দিয়ে উন্নত বিশ্বের সাথে পাল্লা দেয়া যাবেনা আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর লেখাপড়ার দরকার আছে।
শুধু দোয়া দিয়ে যুদ্ধে জয়ী হওয়া যায়না, শক্রদের মোকাবেলা কিংবা প্রতিহত করার জন্য -অস্ত্রেরও দরকার হয়।
শুধু চাপার জোর দিয়ে নিজের সামর্থ্যর প্রমাণ দেয়া যায়না -শক্তি অর্জনও করতে হয়।
ইরানের অর্থনীতি তেমন একটা ভালো না। মধ্যে প্রাচ্যের ধনী দেশ গুলোর চেয়ে ইরান অনেক পিছিয়ে। অথচ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোই আজ ইরানের ভয়ে জুবু -থুবু। কারণ তারা ভোগ বিলাসে নিজেদের যেমন বিলিয়ে দিয়েছে তেমনি আমেরকিাকে নিজের ভূমি ব্যবহার করতে দিয়ে -অলিখিতভাবে ইসরাইলকে শক্তিশালী করেছে।যার কারণ নিজেদের এবং মুসলমানদের অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে।
যদি ইরান অস্ত্রের দিক থেকে স্বাবলম্বী এবং সামর্থবান না হত তাহলে আরো আগেই ইসরাইল পুরো মধ্যে প্রাচ্য দখল করে নিত।আর ইরানের সাথে ইসরাইলের বিরোধী শুধু ফিলিস্তিন নিয়ে অন্য কিছুতে নয়।

0 মন্তব্যসমূহ