ত্যাগীর চেয়ে যদি ভোগীদের মুল্যায়ন বেশি হয় -তাহলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়না।

মাননীয়
অভিজ্ঞদের কাজে লাগান। ত্যাগীদের মূল্যায়ন করুন। আনাঢ়ীদের উপর ভরসা করলে -এরা দেশকে আবার পিছিয়ে নিবে।১৫ বছর যারা পালিয়ে ছিল সুবিধা ভোগ করে আঁতাত করে চলেছে -এরা যদি চালকের আসনে চলে আসে -তবে যারা রাজপথে কিংবা জনগনের সাথে ছিল -তাদের প্রতি অবিচার হয়।
বিএনপির যেসব নেতা বছরের পর বছর ধরে -জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করেছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে পুলিশের ভয়ে পালিয়েছে -নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে -তারা যদি এখন উপেক্ষিত হয় -আর যারা বিগত সরকারের সাথে আঁতাত করে ঋন খেলাপি হয়েছে বিদেশে আরাম আঁয়েশে জীবন যাপন করেছে-১৫ বছর পর দেশে এসেই এখন যদি তারা দলের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি হিসাবে বিবেচিত হয়, তাহলে প্রশ্নটা থেকেই যায়।
১৫ বছর যারা আন্দোলন সংগ্রাম করে গনতন্ত্র উদ্ধার করেছে তাদের চেয়ে যারা নিজকে আড়ালে রেখে ০৫ আগষ্টের পরে দেশে এসেছে ,দেশে থেকে যারা ঋন খেলাপি হয়েছে তাদের মুল্যটা কি বেশি ?
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সহ সব মন্ত্রীকে বলুক কঠোর অবস্থান নিতে। পুলিশ প্রশাসনকে বলুন যে দলেরই হোক -আপনারা চাঁদাবাজদের পক্ষ নেই।সব চাঁদাবাজ কিংবা অপরাধীদের বিরুদ্ধে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়।
যে মন্ত্রী এমপি বা নেতা জনস্বার্থ বিরোধী কোন ইস্যুতে কথা বলবে কিংবা বিগত সরকারের সাথে সুর মিলিয়ে জনস্বার্থ বিরোধী কোন বক্ত্যব দিবে তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহন করুন। প্রয়োজনে দপ্তর পুনঃবন্টন করুন। দলে নিবেদিত, ত্যাগী এবং সত নেতার অভাব নেই।
আপনাদের কাছে জনগনের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। ধীরে ধীরে সেটা পুরন হবে আশা করি। তবে শুরুটা যেন ভালো হয়। এক মন্ত্রীর কথায় সারা দেশে চাঁদাবাজির বাম্পার ফলন বেড়ে গেছে। এটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান দিয়েই শুরু হোক সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মসুচী। তবেই জনগনের ত্যাগ এবং বিপ্লব স্বার্থক হবে। নইলে সব কিছু বৃথা---।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ