তারুণ্যের ত্যাগ এবং স্বীকৃতি :-

 


তারুণ্যের ত্যাগ এবং স্বীকৃতি :- 

@সহিদ_উদ্দিন_চৌধুরী_ এ্যানি -র :-  কপালের ডান দিকে একটা দাগ আছে। সম্ভবত ৯৬ এর আন্দোলনের সময় এক পুলিশ অফিসার তার মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করেছিল ।সৌভাগ্য বসত সে যাত্রায় এ্যানি বেঁচে যায়। এ ঘটনা হয়তো অনেকেরই মনে নেই। কিন্ত এটা সবার মনে থাকার কথা যে -

২০০০/২০০১ এ -শাহবাগে সরকার বিরোধী আন্দোলনে সময় -ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক-চৌধুরী নাজমুল আলম পুলিশী প্রহরায় এ্যানিকে পুলিশের লাঠি দিয়ে বেদম প্রহার করে -এ ছবি এখনও আমার চোখের সামনে ভাসে। পুরাতন পত্রিকা খুঁজলে এটি পাওয়া যাবে । এ ছাড়া গত ১৫ বছরের আন্দোলন সংগ্রামে তার অবদান অনস্বীকার্য। এবার তাকে পূর্ণ মন্ত্রী করায় যোগ্যতার মূল্যায়ন হয়েছে। 

@মোঃ_আমিনুল_হক  :- তখন ক্রিকেট এত জনপ্রিয় খেলা ছিলনা। ফুটবল খেলা হলে টিভি খুলে বসতাম। আর গোল হলেই ঐ হুল্লোড়। তখন থেকে আমিনুলের চেহারাটা মনের মধ্যে গেঁথে আছে। এরপর একদিন দেখলাম বিএনপির আন্দোলনে সে রক্তাক্ত। পরে জানলাম সে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।হয়তো এটাই ছিল তার অপরাধ। পরবর্তীতে তার নিউজ গুলা দেখলেই পড়তাম। ক্রমান্বয়ে সে বিএনপিতে সক্রিয় হয়ে উঠে। তার ত্যাগ বৃথা যায়নি। 

Zonayed Saki-জোনায়েদ সাকি :- আমি তার রাজনৈতিক দলের নামও বলতে পারবো না। এবার জানলাম সে বাম রাজনীতির সাথে জড়িত। নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হওয়ায় ভেবেছিলাম বিদ্রোহী প্রার্থীর সাথে ধরাশায়ী হবে কিন্তু না। আসলে তাকে চিনতাম বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে গঠন মূলক কথা এবং সামালোচার মাধ্যমে। বিশেষ করে টকশোতে তার যুক্তিযুক্ত কথা গুলো শুনে আমার মনে হত -বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন লোকই দরকার। বিএনপিকে ধন্যবাদ দিব এ জন্য যে - ভিন্ন মতের হওয়া সত্ত্বেও তাকে মন্ত্রী সভায় সুযোগ দেবার জন্য।

@নুরুল_হক_নুরু :- তাকে এখন সবাই চিনে। কারণ বিএনপি পিছন থেকে তাকে সমর্থন দিলেও কোটা বিরোধী আন্দোলন এবং ডাকসুর ভিপি ইস্যুতে সব মার খেয়েছে সে। অনেক বার ভেবেছিলাম হয়তো পুলিশ কিংবা ছাত্রলীগের হাতেই তার মৃত্যু হবে। উফ -এত নির্যাতন এত অত্যাচার একটা মানুষের উপর হতে পারে ? যাই হোক এবারই তার দলের নামটা মুখস্থ হয়েছে আমার এর আগে জানতাম ছাত্রনেতা হিসাবে। শেষতক সেনাবাহিনী কর্তৃক তার উপর যে নির্যাতন হয়েছিল ভেবেছিলাম নুর শেষ। কিন্তু রাখে আল্লা মারে কে। আজ সে প্রতিমন্ত্রী -এটাইতো মূল্যায়ন। 

আন্দালিব রহমান পার্থ :- কি সংসদে কি বাইরে কি টকশোতে কি রাজপথে। খালেদা জিয়া ,তারেক জিয়া ড.ইউনুসকে নিয়ে তার ভয়েস ছিল সবার উপরে। কথা বলতেন যুক্তি দিয়ে টকশোতে তাকে হারানোর সাধ্য ছিল কার। শেখ হাসিনার আত্মীয় হওয়ায় অনেক বার তাকে প্রলোভন দেয়া হয়েছিল মন্ত্রিত্বের কিন্ত তিনি ছিলেন অনঢ়। যার কারণে জুলাই আন্দোলনে গিয়েছিলেন ডিবি হেফাজতে। আশা করি বিএনপি তার অবদান খাটো করে দেখবে না ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ