দলের জন্য অনেক ত্যাগ তাদের। ১৫ বছর মাঠে ময়দানে ছিল। অনেক জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করেছে । মিছিল মিটিং এ অংশ নিয়ে পুলিশের হয়রানির শিকার হয়েছে।মামলা হামলার ভয়ে কতদিন দেশের সুরক্ষিত প্রাসাদে কিংবা বিদেশের মাটিতে রাত কাটাতে হয়েছে তার হিসাব নেই।
শুধু জুলাই আন্দোলনে মাঠে নামেতে পারেনি কারণ তারা জানে তাদের জীবনের মূল্য অনেক বেশি তারা যদি নিরাপদ না থাকে তাহলে এ জাতিকে নেতৃত্ব দিবে কে ? -তাই কর্মীদের মিছিলের সামনে দিয়ে উদারতা দেখিয়েছেন।যেহেতু উনারা জানতেন একদিন উনাদেরই হাল ধরতে হবে এবং উনাদের মাধ্যমে জাতিকে স্বপ্ন দেখতে হবে তাই উনারা কারো উপরই ভরসা করতে পারছেন না কিংবা যােগ্যতম লোক খুজে পাচ্ছেন না। তাই একান্ত বাধ্য হয়ে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে রাজি হয়েছেন। আসলেই এ ধরনের একটি কমিটি পরিচালনা করতে হলে যে যোগ্যতা লাগে সেটা ত্যাগী কর্মীদের নেই।এমনকি আত্মীয় স্বজন ছাড়া কারো উপরে রহিম উদ্দীন ভরসা কিংবা করিম উদ্দীন ভরসা করাও সম্ভব না । তাই ক্রিকেট বিষয়ে খেলাপড়া করার জন্য তারা বিদেশে অবস্থান করেছেন বলে অনেকে তাদের স্বচোক্ষে দেখতে পারেননি।
এরপরও কিছু লোক সলামোচনা করবেই কিন্তু আমরা এসব গায়ে মাখিনা। কারণ আমরা কত বছর ক্ষমতার স্বাধ থেকে বঞ্চিত ছিলাম এবং কতটা ভুখা ছিলাম এটার কষ্ট কেউ বুঝবে না। আমরা বিগত সরকারকে ঘৃনা করি কারন তারা আমাদের প্রতিটি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রেখেছেন । (কয়েকজন নেতা ব্যতীত)
এর মধ্যে সেসব নেতার ছেলে ,ভাই এবং স্ত্রীদের মূল্যায়ন করা হয়নি তাদেরকে হতাশ না হয়ে ধৈর্য্য ধরার আহবান জানাই । অচিরেই মহিলা এমপি ,বার এসো:,উপজেলা চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রশাসক পদে তাদের পদায়ন করা হবে যোগ্যতার মূল্যায়ন করা হবে ।
বিঃদ্র: -শ্যালক ,ভাগিনা ,ভাতিজাদের কোটা পূরণ এখনও শুরু হয়নি। তাই তাদেরকেও বিরোধী দলের মত হতাশ না হবার আহবান জানাই।

0 মন্তব্যসমূহ