শব্দ চয়নে জড়তা নেই .উচ্চারণে ভুল নেই -তথ্যে কোন গরমিল নেই।কি সাবলীল ভাষায় অবলীলায় বলে গেলেন জুলাই এর ইতিহাস এবং ত্যাগীদের অবদান।
প্রধানমন্ত্রী ,বিরোধী-দলের নেতা ,স্পীকার ,হেভি-ওয়েট মন্ত্রীরা মন-মুগ্ধ হয়ে শুনলেন তার কথা।জুলাই যোদ্ধা #আন্দালিব_রহমান পার্থ ,#জোনায়েদ_সাকী ,#ইঞ্জিনিয়ার_ইসরাক ,#নুরুল_হক_নুরু তন্ময় হয়ে-তাকিয়ে রইলেন তার দিকে। কখনও হাতে তালি দিয়েছেন কখনও মুচকি হেসেছেন -কিন্তু একটু বিরক্তও হননি তার কথায়।
এ যেন তরুণ প্রজন্মের এক আইকন -যাকে সেনাবাহিনী কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন -আজ এ কথাই প্রমাণিত হলো এমন নেতা বাংলাদেশে একজনই আছে যার শরীরের ওজন সেনাবাহিনী মেপে দেখেছেন -তিনি #নাহিদ_ইসলাম।
অথচ এতদিন ধরে আমরা কি শুনে আসছিলাম -একজন মন্ত্রী বলেন যুবদল নাকি শেখ মুজিবের সাথে মিটিং করেছেন অথচ বিএনপি গঠিত হয়েছে ১৯৭৮ সালে। এত বড় গোজা মিল কি করে একজন সাংসদের মুখ থেকে বের হয়?
আরেকজন মহিলা মন্ত্রী বলেন দেশের সব উন্নয়ন বিএনপির হাতে ধরে হয়েছে। আহারে তৈল বাজি আহারে দলকানা।
আরেকজন বারাক ওবামা শব্দটিও মুখ থেকে বের করতে পারলেন না। আরেক মন্ত্রী বলেন বিরোধী দলকে উনি বিরোধী আসন থেকে উৎখাত করবেন। জানতে ইচ্ছা করে -কোন জায়গায় স্থান দিবেন সরকারী দলে নাকি ট্রেজারি বেঞ্চে? আরেক মন্ত্রী গর্ব করে বললেন -তিনি শেখ হাসিনাকে বোকা বানিয়ে বিদেশ চলে গেছেন তাই তাকে জেলে যেতে হয়নি।
আহারা নেতা- হাজার হাজার নেতা কর্মীদের বিপদে পেলে দলের কোন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ না করে জুলাই আন্দোলনে কোন অবদান না রেখেই তিনি এখন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। সত্যি পালিয়ে থাকাটা একটা গর্বের বিষয়ও বটে। এমন ভাগ্য শুধু বিএনপি করলেই মিলে।
যে পার্থকে সবাই এতদিন একটা রাজনৈতিক আইকন হিসাবে ভাবতো সে পার্থ এতদিন ছিল তরুণের আইডল সে এখন -হাসির পাত্র।শুধু তার ই ম্যাচাউর বক্তব্যের কারণে।অথচ সরকারী দলে থেকেও নিজের জাত চেনালেন -লক্ষ্মীপুরের #সৈয়দ_আশ্রাব_উদ্দিন _নিজাম। তিনিও এখন তরুণদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

0 মন্তব্যসমূহ