শোষিতরা একদিন শাসক হয়ে সব ভুলে যায় তাই ইতিহাসের পুনরাভিত্তি হয়।

 


এ্যানি চৌধুরী জীবনে কতবার জেলে গিয়েছে এবং কতবার পুলিশী হামলার শিকার হয়েছে সেটা আমার জানা নেই।

তবে দুটো ঘটনা আমার কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে। একটি হলো ছাত্রলীগের তখনকার সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী নাজমুল আলম তার দলবল নিয়ে পুলিশের সহযোগীতায় এ্যানি চৌধুরীকে শাহবাগে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে - এটা সম্ভবত ১৯৯৬ সালে। আরেকটি হলো ১৯৯০ সালে একজন একজন পুলিশ তার কপালে টিয়ার সেল দিয়ে গুলি করে। অথচ আজ সে এ্যানি হচ্ছেন -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানিনা সে পুলিশ অফিসার এখন এ্যানি চৌধুরীর সামনে দাঁড়িয়ে কি বলবেন ?
জাতীয় পর্যায়ের বেশির নেতাই কম বেশি রাজপথে প্রতিপক্ষ কিংবা পুলিশের হাতে নির্যাতনের শিকার হন কিংবা এখনও হচ্ছেন। যাদের মধ্যে #সাদেক_হোসেন_খোকা , #আব্দুল্লাহ_আল_নোমান ,#মতিয়া_চৌধুরী#মোফা্জ্জেল-হোসেন _চৌধুরী_মায়া-#মোঃ_নাসিম #নানক এবং বিগত সরকারের আমলে _জয়নুল_আবেদিন_ফারুক অন্যতম।এসব ঘটনা যখন মানুষের স্মৃতিতে মৃয়মান তখন তখন বিগত অস্থায়ী গভঃআমলে নুরুকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে প্রশাসনের লোকরাই।
আমি ঠিক এ কথা নিশ্চিত করে বলতে পারিনা যে -এসব পুলিশ অফিসারদের ভাগ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের কি ঘটে ?
দুজনের কথা যদি বলি -বিএনপির আমলে ওসি- কহিনুর। আওয়ামীলীগ আমলে একাধিক পুলিশ যার মধ্যে ওসি হারুন ছিলেন অন্যতম। জয়নুল আবেদিন ফারুককে পিটানোর জন্যই ওসি হারুনকে শেষ পর্যন্ত ডিবি প্রধানও করা হয়। আর কোহিনুরকে আওয়ামী আমলে করা হয় চাকুরীচ্যুত।
ক্ষমতার পরিবর্তনে পুলিশদের চাকুরী যায় বদলি হয় কিংবা তারা বিড়াল হয়ে চাকুরী করে যান বাকী জীবন। আর নেতারা ক্ষমতায় এসে যেমন সব ভুলে যান তেমনি শোষিত শ্রেণী থেকে হয়ে উঠেন -শোষক কিংবা শাসক । মাঝে ফেঁসে যায় পাতি নেতারা আর প্রশাসনের অতি উৎসাহী কর্মকর্তারা বিশেষ করে পুলিশ।
কিন্তু এভাবে আর কত এটা পরিবর্তন দরকার। বিরোধী দল হলেই আপনি আপনার বাহিনী দিয়ে জাতীয় নেতাদের বাড়ীতে কিংবা গাড়ীতে হামলা করবেন নিউজ দেখে মজা নিবেন এ সংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।
জাতীয় নেতাদের উপর এভাবে আক্রমন করা যাবেনা -এটার আইন করতে হবে । কে্উ যদি করে তাহলে তার বিচার হবে কঠোর ভাবে। এ আইন করলে প্রতিটি নেতাই সম্মানীত হবেন এবং নিরাপদে রাজনীতি করতে পারবেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ