ব্যর্থ মন্ত্রীদের কারনে তৃতীয় পক্ষ সুযোগ নিচ্ছে -আন্দোলন দমাতে হবে কৌশলে শক্তিতে নয়।

 ৮ মাসের মধ্যেই মন্ত্রীদের কথা বার্তা এবং কাজ কর্ম জানিয়ে দিচ্ছে কারা সফল আর কারা ব্যর্থ। যতই দিন যাচ্ছে ততই ব্যর্থ মন্ত্রীদের তালিকাটা দীর্ঘই হচ্ছে।একা কাঙ্ক্ষিত ছিলনা ।এত ব্যর্থতা নিয়ে একজন মন্ত্রীকে বহাল রাখার অর্থ হচ্ছে দেশের বোঝা বড় করা।

স্ব শিক্ষিত লোক দিয়ে একটি পৌরসভা চালানো আর দেশ চালানো এক জিনিষ না। মন্ত্রী হতে গেলেও নু্ন্যতম যোগ্যতা লাগে। যিনি কথা বলতে পারেন না -আইন বুঝেন না -ইংরেজি জানেন না -সংবিধান বুঝেন না -তিনি মেম্বার অব পার্লামেন্ট হয় কি করে ?
বস্তুত এমপি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে যারা আলা দিনের চেরাগের মত মন্ত্রিত্ব পেয়ে -ধরাকে সরা মনে করতেছেন -তারা যে সরকারের কফিনে পেরেক মারতেছে এটা মনে হয় বিএনপির ভেতরেই একটা অংশ ঠিকই উপলব্দি করতে পারছেন। মনে রাখা দরকার ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ চালাতে গিয়ে মসজিদের ইমামকেও পালিয়ে যেতে হয়েছে।
যেসব মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠছে --তাদের বিরুদ্ধে যদি ব্যবস্থা না দিয়ে এড়িয়ে যাওয়া হয় তাহলে অন্যরা একই কাজ করতে উৎসাহী হবে -এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।। নুরু ও রাশেদের লাগামহীন কথা বার্তা এবং কৃতকর্মের ব্যাপারে সরকার এখনও উদাসীন। এদেরকে নিয়ন্ত্রন করা দরকার। শুধু ইশরাক হোসেনকে বলির পাঠা বানালেই সব ঠিক হয়ে যাবে ধারনাটা ভুল। স্বাস্থ্য মন্ত্রী ছাড়া কাউকে সরজমিনে কাজ করতে দেখা যায়না।
আগের সরকার ব্যর্থ হয়েছে কারণ তারা মনে করেছে যারা জয় বাংলা সহি শুদ্ধ ভাবে বলতে পারে তারাই সফল। এ সরকারের মন্ত্রীরা কাজ না করে প্রতিযোগীতার মাধ্যমে চাটামীতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন। এটার সংখ্যা এখন ডজনেরও উপরে । এটা শুভ লক্ষন নয়।
গার্মেন্টস মালিক শ্রমিকদের সাথে আলোচনা করে সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে হবে। সরকারী সম্পত্তি বিনষ্ট কিংবা পুলিশের গাড়ীতে আগুন -গার্মেন্টস আগুন লাগিয়ে না নিভাতে দেয়া -খুবই ভয়ঙ্কর ইঙ্গিত বহন করে ।এটা কোন শ্রমিকের কাজ নয়। এটার পিছনে কারা কাজ করছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনতে পারলে -পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিতে পারে। কিছু জায়গায় পুলিশকে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করতে দেখা গেছে -এটা কোন ভাবেই সমর্থন যোগ্য নয়। যে কোন ভাবে আন্দোলনকে নতুন ইস্যু তৈরি করতে দেয়া যাবেনা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ