তখন মিরপুর কলেজে পড়ি।আমাদের এক বন্ধু চাকুরী করতো -কোকাকোলা কোম্পানীতে। একদিন তাকে বললাম তোর অফিসে একদিন যাব ফ্রিতে ফানটা পেপসি খাব।সে বললো গিয়ে কাম কি এগুলো কি দোকানে পাওয়া যায়না? বললাম কিভাবে তোরা কি করোস একটু দেখতে মুন্চায়।
জবাবে সে বলে বেটা যা দুএকটা ফানটা পেপসিতো কম বেশ খাস -কারখানায় গেলেতো সেটাও বন্ধ করে দিবি। বললাম এর মানে কি দাঁড়ানো। তখন সে বললো-যদি কখনও খেতে মন চায় তাহলে হোয়াইটা খাবি। মানে সেভেন আপ কিংবা স্পাইট। কালারিং কোন জিনিষ খাইস না। এটা কিভাবে তৈরি হয় আমরাতো জানি কিন্তু এটা কাউকে দেখানো কিংবা বলা যাবেনা।বললে কেউ আর খাবেনা।
ঘটনা ০২-একবার হোমিওপ্যাথিক ঔষূধ খাচ্ছিলাম কিছু দিনের জন্য। ডাক্তার বললো এ ঔষুধ চলা কালিন কোন এলোপ্যাথিক ঔষূধ খাবেন না। আমি বললাম আমার গ্যাস্টিকের ব্যথা উঠলে কি করবো-তখন ডাক্তার বললো সেভেন আপ খাবেন ভুলেও রঙ্গীন কালারের কোন পানীয় কোনদিন খাবেন না। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
আজ পর্যন্ত কোন ডাক্তারকে বলতে শুনিনী কোন কোমল পানীয় -শরীরের জন্য কোন উপকার করে।সেটা #সেভেন আপ #পেপসি #কোকাকোলা #মেরিন্ডা #আরসি কিংবা #স্পীড #টাইগার #হর্স বা যেকোন ধরনের এনার্জি ড্রিক বলেন না কেন।
একই কথা প্রজোয্য ৫০০/৬০০ মিলির বোতলের বেলায়। ০৬ মাস আগে ছিল ৩৫ টাকা। এরপর হলো ৪০ টাকা। এক মাসের মধ্যে এটি হলো ৫০ টাকায়। আজ মগবাজারে আমাদের কাছ থেকে এটি নিল ৬০ টাকা। আমরা কতটা অসহায় হয়ে গেছি এসব চক্রের কাছে -যে যে যেভাবে পারছে লুটের রাজত্ব কায়েম করে চলছে বাজারে। এদেরকে কি আদৌ নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয় ?

0 মন্তব্যসমূহ