এভারেস্টের অবস্থান নেপাল এবং তিব্বতের মাঝামাঝি অঞ্চলে। চুড়ায় যেতে সর্ব সাকুল্যে খরচ হয় ০১ কোটি টাকার উপরে।তিব্বত থেকে যাওয়া সহজ হলেও ব্যয় বেশি। তাই বেশির ভাগ মানুষ নেপাল থেকে যায়। এরজন্য প্রায় ১০/১২ লক্ষ টাকা দিতে হয় নেপাল সরকারকে অক্সিজেন -ভ্রমন ট্যাক্স বা জীবন রক্ষাকারী -ঔষুধ সামগ্রীর বিনিময়ে । বাকীটা যায় আনুসাঙ্গিক সরঞ্জামাদি ,খাদ্য সামগ্রী এবং শেরপাদের পিছনে। সময় লাগে ৩৫/৪০দিন। তবে বৈরি আবহাওয়া থাকলে সময় আরো বেশিও লাগতে পারে।
এভারেস্টের মুল উচ্চতায় পৌছতে অনেক গুলো বেইজ ক্যাম্প পাড়ি দিতে হয়। এসব ক্যাম্পে বিশ্রাম ছাড়াও চলে অসুস্থদের চিকিৎসা। নেপাল সরকারের পর্যটন খাতের বিরাট একটা অংশ আসে এ হিমালয় পর্বত থেকে। তাই তারা কখনও কাউকে আরোহন করতে নিষেধ করেনা। স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা এবং আর্থিক ভাবে সচ্ছল ব্যক্তিরাই এ সাধ এবং সখ পূরণ করার সুযোগ পান। তাই ইচ্ছা করলেও এ মৃত্যুর ঝুকির গেইম সবাই খেলতে পারেনা। এরপরও মানুষ যায়, জয়-সুনাম সুখ্যাতি এবং অভিজ্ঞতার জন্য ----।
অথচ বাংলাদেশের সর্বোচ্ছ পর্বত শৃঙ্গের নাম তাজিন ডং-। এটি বান্দরবনে অবস্থিত। উচ্চতা ১২২০/১২৫০ ফুট। এখানে কিন্তু তেমন কাউকে আরোহন করতে দেখা যায়না। কারণ হয়তো সরকারী পৃষ্টপোষকতা কিংবা উদ্যোগের অভাব। তাছাড়া প্রচার পাবলিসিটিও কম। অথচ সঠিত উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পেও এটি প্রভাব ফেলতে পারতো।
বাংলাদেশের এ পর্যন্ত ০৫ জন আরোহী এভারেস্টের চুড়ায় পৌছতে সক্ষম হয়েছে। অনেকে আবার অর্ধেক পথ থেকেও ফেরত এসেছে। তারা কে কোথায় আছে জানিনা এবং কে কতটুকু সার্থক কিংবা লাভবান হয়েছে তাও জানিনা -তবে আমি এ ঝুঁকিপূর্ণ শিহরিত , এডভেঞ্চারের পক্ষে নাই। ১০ তলার উপরে উঠে নীচের দিকে তাকালে আমার কলিজা শুকিয়ে যায়। আমার টাকা হলে হজ্বে যামু- ব্যস।

0 মন্তব্যসমূহ