শরিয়া আইন না মানলে কি হবে ?

 


শরিয়া আইন হলো -

১.আপনি কোন মুসলমানের মৃত্যুর সংবাদ শুনলে ইন্নালিল্লাহ পড়বেন। 

২.মৃতকে যথা শীঘ্রই সম্ভব শেষ গোসল করাবেন। 

৩.পুরুষদের সাদা ০৩ কাপড় মহিলাদের ০৫ কাপড়ে আচ্ছাদিত করবেন। 

৪.তাকে জানাযা দিয়ে দাফন করাবেন।মুসলমানের জন্য ফরজ কেফায়া হলো জানাযায় অংশ গ্রহণ করা এবং চার তাকবীরের সহিত জানাযা আদায় করবেন।তবে জানাযার আগে অবশ্যই পবিত্রতা অর্জন করবেন কিংবা অযু করে জানাযা পড়তে যাবেন।  

৫. পুরুষের কোমর পরিমাণ এবং মহিলাদের বুক পরিমাণ কবর খুঁড়বেন। আর মৃত ব্যক্তির মাথা উত্তর দিকে পা দক্ষিণ দিকে রাখবেন এবং মাথায় পশ্চিমমুখী করে শায়িত করবেন। 

৬.যদি সম্ভব হয় তাহলে তার সন্তান জানাযা পড়াবেন আর না পারলে একজন আলেম দিয়ে জানাযা পড়াবেন।

৭. দাফনের সময় মৃতকে সম্মানের সহিত কবরে শায়িত করবেন যাতে কোন রকম আঘাত কিংবা তাড়াহুড়া না করা হয়।  

৮. কবরে অবশ্যই মুহরিমকে নামতে হবে মুহরিম না থাকলে আত্মীয় স্বজন নামবেন। 

৯.দাফনের পর তার জন্য মিলাদ কিংবা দোয়া করাবেন। ফকির মিসকিনকে তার নামের উপর দান সদকা দিবেন।

১০. . তার দায় দেনা পরিশোষ করবেন এবং সন্তানরা তার জন্য কোরান পাঠ করবেন।  

আর যদি শরিয়ত না মানেন তাহলে-

১.মৃত্যু সংবাদ শুনে উল্লাস করবেন। ডিজে পার্টিও দিতে পারেন। 

২.গোসল না দিয়ে দাফন কিংবা কফিনে দিবেন বা মেডিকেলে লাস দান করে দিবেন।

৩.পরনের কাপড় দিয়ে আচ্ছাদিত করবেন কিংবা বাজারের সবচেয়ে দামী কাপড়। 

৪.কবর খুড়ার সময় ইচ্ছামত গর্ত করে পূর্ব পশ্চিম না ভেবে মাটিতে পুতে রাখবেন।

৫. জানাযা না পড়েই কিংবা বিনা তাকবীরে নামাজ পড়বেন।

৬. উনি যেসব সঙ্গীত বা শিল্পী কিংবা প্রিয় তারকাকে জায়নামাজের দায়িত্ব দিবেন যার প্রচার বেশি হয়। 

৭.দাফনের সময় প্রিয় সঙ্গীত বাজাবেন কিংবা প্রিয় শিল্প এনে গান নৃত্য পরিবেশন করবেন -

৮. কবরে যে কোন লােক নামবেন -দোয়া দরুদ না পড়ে গান গাইবেন কিংবা সিগারেটও খাইতে পারেন। 

০৯. মৃতকে হইচ্ছামত কবরে শায়িত করবেন যেমন মাথা পশ্চিম দিকে পা পুর্ব দিকে কিংবা মুখ অন্য দিকে। 

১০. দেনার ব্যাপারে উদাসীন থাকবেন -কেউ চাইলেও এড়িয়ে যাবেন। 

এখন আপনিই সিদ্ধান্ত নেন -শরীয়া আইন আপনার প্রয়োজন আছে কি নাই ? 

অতএব বুঝে শুনে কথা বলবেন। মৃত্যু সবার জন্যই অবধারিত কিন্ত রাজনীতি সবার জন্য অবধারিত নয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ