জামাতের ঘরে এনসিপি কার লাভ কার ক্ষতি ?

 


যদি ৩০০ আসনে প্রার্থী ০২ জন করে প্রার্থী দেয়া হয় -তাহলেও বিএনপিতে যোগ্য প্রার্থীর অভাব হবেনা এমনকি ০৪ জন করেও তাদের প্রার্থী দিতে কষ্ট হবেনা। 

সে জায়গায় এনসিপিকে ০৭টি আসন দিলে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীকে সামাল দেয়া কষ্টকর হয়ে যেত। কারণ প্রার্থী কিংবা এমপি হতে কে না চায় ? এটার জন্যইতো নেতারা রাজনীতি করে।

 এ পরিস্থিতিতে এনসিপি বিএনপির সাথে জোট বাঁধলে বাঘা বাঘা নেতা -নমিনেশন থেকে বঞ্চিত হত । কারণ হচ্ছে এনসিপিতে কেন্দ্রীয় নেতা হিসাবে যারা আছেন -বিশেষ করে -#হাসনাত,#সারজিস ,#নাহিদ,#আক্তার, #সারোয়ার তুষার ,#তাসনুবা জেরিন ,#নাসির উদ্দিন -#তাসনিম জারা -#হান্নান মাসউদ -এদের আসনে যদি বিএনপির হেভি ওয়েটা প্রার্থী থাকে তাহলে তারা সেটা কখনই এনসিপিতে দিতে পারতো না।

উদারন হিসাবে জারার কথাই বলি -মীর্জা আব্বাসকে বাদ দিয়ে -জারাকে সিট ছেড়ে দিবে বিএনপি ? 

তেমনিভাবে কায়কোবাদ  বাদ দিয়ে আসিফকে সিট দিত বিএনপি ? উত্তর হবে না। বিপরীত দিকে যেসব আসনে বিএনপি ছাড় দিত তাতে দেখা যেত এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা, নেই তখন কি হত ? 

তাছাড়া ০৭টা সিট নিয়ে দলে দেখা দিত মত বিরোধ। তখন দল থেকে আরো বেশি নেতা নেত্রী বের হয়ে যেতে অনায়াসে। তার মানে ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা ছিল অসম্ভব।

এখন তারা জামায়াতে গেছে -সবাই ছি ছি করতেছে -৩০ জন বের হয়ে গেছে। এতে তাদের সাময়িক ক্ষতি হলেও লাভ সুদূর প্রসারী। কারণ জামাত আর যাই করুক এদের আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হতে দিবেনা কাউকে। এমনকি এদের প্রচারে এবং নিরাপত্তায় আগলে রাখবে। যে নিশ্চয়তা বিএনপির কাছ থেকে পাওয়া ছিল অসম্ভব। কারণ বিএনপির গৃহ বিবাদ এমনিতে চরমে।তাদের প্রার্থীদের পক্ষে কেন্দ্রীয় নির্দেশে এনসিপিকে মেনে নেবার মানসিকতা থাকতো কম সংখ্যক নেতরাই এমনকি স্থানীয় নেতা কর্মী সমর্থকরা কোন ভাবেই এদের মেনে নিতনা । কিন্তু জামাতের কেন্দ্রীয় নির্দেশ পালনে আজ্ঞাবহ হয়ে থাকে স্থানীয় নেতা কর্মীরা।যার কারনে কোন আসনেই কেউ বিরোধীতা করবে না এটা নির্ধিদ্বায় বলা যায়। 

সে বিবেচনায় মনে হবে এনসিপির বর্তমান অবস্থান কিছুটা লাভজনক। এখান থেকে কতজন বেরিয়ে আসে এখন সেটাই দেখার বিষয়।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ