ভোরে উঠার অভ্যাসের মধ্যেই মানুষের জীবন-মৃত্যুর পার্থক্য তৈরি করে দেয়।

 


গ্রামে বহু মানুষের সকালটা শুরু হয় নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত কিংবা সকালে খালি পায়ে হেঁটে। সূর্য উঠার আগে যারা ঘুম থেকে উঠে এবং নিয়মিত ওযু করে এদের চেহারায় দেখবেন আলাদা একটা উজ্জ্বলতা থাকে!

আবার এক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা - সারারাত জেগে থাকে ভোরে ঘুমায়! ১১/১২টার আগে ঘুম থেকে উঠতে পারে না।রাতে হয়তো মোবাইল টিপে নয়তো টিভি দেখে আবার কিছু কিছু মানুষ আছে রাত জেগে কাজ করে । তবে এরা নাইট গার্ড নয় কারণ নাইট গার্ডরাও চুরি করে ঘুমায়। বর্তমান সময়ে এদের সংখ্যাই বেশি!!এদের চেহারা দেখলেও আপনি কিছুটা অনুমান করতে পারবেন।

বস্তুত কেউ কেউ দিন শুরু করে আল্লাহর নাম নিয়ে, খালি পেটে পানি খেয়ে কিংবা ব্যায়াম করে! অনেকে আবার গরম চা কিংবা খালি পেটে সিগারেট খেয়ে দিনের সূচনা করে।গ্রামের মানুষ বেশির ভাগই ভোরে উঠে -নামাজ কালাম পড়ে -নাস্তা করে কাজে বের হয়ে যায়।

শহরের বেশির ভাগ মানুষ ০৮/৯ টার আগে ঘুম থেকে উঠেনা।যাদের অফিস থাকে আর বাচ্ছা নিয়ে স্কুলে যেতে হয় তাদের কথা ভিন্ন। আর যারা সূর্য উঠার পর ঘুম থেকে উঠে তাদের শরীরে বিভিন্ন রোগ বাসা বাঁধে । গ্রামে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ১০জনও পাবেন না যে -তাদের ডায়াবেটিস আছে। শহরে শতকরা ৮০ জনই ডায়াবেটিস এর রোগী। এর কারণ বেশি খাওয়া এবং কম কাজ করা। অর্থাৎ শরীরে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাওয়া।

তুলনামূলক ভাবে গ্রামের মানুষের রোগ বালাই কম হয়। কারণ তারা খায় কম কিন্তু কাজ করে বেশি। আর শহরের মানুষ খায় বেশি কিন্তু কায়িক পরিশ্রম করে কম। যার ফলে শহরে ডাক্তার হাসপাতাল বেশি আর গ্রামে কম।

বহু লোক আবার সকালের নাস্তাও করে না, এসব কারনেই কিংবা লাইফ-স্টাইল থেকে মানুষের দেহাকৃতি চরিত্র ব্যক্তিত্ব আচার-আচরণ, বন্ধুত্ব সহমর্মিতা কিংবা সুস্থ অসুস্থ থাকা নির্ভর করে।।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ