একজন সুপার পাওয়ার কিংবা ভিআইপি নাগরিকের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকতেই পারে, এটা রাষ্ট্রের জন্য কোন ক্ষতিকারক বিষয় নয়! কারন টাকা আছে বলেইতো তিনি অন্য রাষ্ট্রে নাগরিক হবার মত গৌরব অর্জন করেচেন। আমার আপনার কি সে যোগ্যতা আছে ? বা আমার আপনার জন্য এটা কোন ভাবেই ক্ষতিকারক নয়। কিন্তু একজন ঋণ খেলাপি হয়ে বছরের পর বছর ধরে ঘুরে বেড়ালে এটা রাষ্ট্রের জন্য এটা মারাত্মক ক্ষতিকারক।
কারণ ব্যাংকে যে টাকা থাকে এগুলো গ্রাহকের টাকা ব্যাংকের কোন কর্মচারীর টাকা না কিংবা রাষ্ট্রেরও টাকা না।
আপনি দেখবেন গরিব মানুষরা ব্যাঙ্ক কিংবা কোন ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী সংস্থা থেকে ঋণ নিলে সে টাকা সময় মত পরিশোধ না করলে তাদের সম্পত্তি ক্রোক করা হয় জেল হয় জরিমানা হয়। এই ধরনের অনেক নজির আছে যে ঋণের বোঝা সইতে না পেরে মানুষ আত্মহুতি দিয়েছে। কিন্তু ব্যাংকের টাকা নিয়ে যারা উদাসীন হয়েছে তাদের দেখবেন টেনশান মুক্ত ভাবে দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিংবা বাড়ী গাড়ী কেনার প্রতিযোগীতায় আছে। এর স্পষ্ট কারন হলো প্রভাব কিংবা ক্ষমতা -বস্তুত নিয়ম ভাঙ্গার জন্য হলেও ক্ষমতার দরকার হয় -ক্ষমতা না থাকলে আপনি নিয়ম ভাঙ্গতেও ভয় পাবেন।
গ্রাহকরা ব্যাংকে টাকা জামানত রাখে এফডিআর করে রেমিস্টেন্স আনে ব্যাংক তাদের সে টাকা দিতে পারে না ব্যাংক কিন্তু ঋণ খেলাপিদের পিছে পিছে ঘুরে। সেই খেলাপিদের নির্বাচন কমিশন কিংবা আদালত কর্তৃক ছাড় দেওয়ার অর্থ হল টাকা না থাকলেও যদি আপনার ক্ষমতা বা প্রভাব থাকে তাহলে আপনি ব্যাংকের টাকা মেরে খেতে পারবেন।।
ক্ষমতা না থাকা অবস্থায় যে লোক ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে পারেনা ক্ষমতায় গেলে কি সেই ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করবে? বস্তুত ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করার জন্যই তাদের ক্ষমতার দরকার!
নির্বাচন কমিশন ঋণ খেলাপীদের বৈধতা দিয়ে রাষ্ট্রের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছেন এবং অন্যায় কারীদের পক্ষ নিয়েছেন যা কোনমতেই সমর্থন যোগ্য না।।

0 মন্তব্যসমূহ